নওগাঁর রাণীনগরে এতিম শিশুদের জন্য উন্মোক্ত করে দেয়া হয়েছে দালানবাড়ী ফলবাগান| উপজেলার কালীগ্রাম ইউনিয়ন করজগ্রাম গ্রামে কাজী হযরত আলী, আবু জাহেদ, প্রফেসর জয়নাব, প্রকৌশলী ফাত্তাহ, ডা: মামুন এবং জামেনা স্মৃতির স্বরণে শুক্রবার দুপুরে আনুষ্ঠানিকভাবে দালানবাড়ী ফলবাগান উন্মোক্ত করা হয়| গ্রামের আবু জাহেদ এর ছেলে অবসরপ্রাপ্ত প্রকৌশলী কাজী ওয়াহিদুল ইকবাল এর বাস্তবায়নে ও উপস্থিতীতে এতিম শিশুদের জন্য একটি বিশেষ উদ্যোগের অংশ হিসেবে এই ফলবাগান উন্মোক্ত করা হয়|
এসময় নওগাঁ বিএমসি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ওয়ালিউল ইসলাম, নওগাঁ কেডি উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক আল মামুন,সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কাজী আব্দুস ছোবহান, কালীগ্রাম ইউপির ইউডিসি রেজাউল ইসলাম ও দালানবাড়ী ফলবাগানের তথ্যাবধায়ক হামিদুল ইসলামসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন|
প্রকৌশলী ওয়াহিদুল ইকবাল জানান,দাদা হযরত আলী এবং বাবা আবু জাহেদসহ পরিবারের সবাই ছিলেন বৃক্ষপ্রেমি| এছাড়া তার স্ত্রী সন্তানরাও ছিলেন বৃক্ষপ্রেমি এবং শিশু বান্ধব| সেই লক্ষে তিনি নিজ বাড়ীর পাশে প্রায় দুই বিঘা জমিতে গড়ে তুলেছেন হানিডিউ, রেড পালমার, মিয়াজাকি বা সূর্য ডিম, ব্ল্যাকস্টোন, ব্যানানা ম্যাংগো, ব্রুনাই কিং, বাড়ি-৪,কাটিমনসহ প্রায় ১৪ জাতের আম বাগান|
তিনি বলেন,এতিম শিশুরা চাহিদা অনুযায়ী ফল খেতে পারেনা|তাই শিশুদের চাহিদা মেটাতে এই বাগানটি উন্মোক্ত করে দেয়ার চিন্তাভাবনা করেন| তিনি বলেন, গত কয়েক বছর ধরে গড়ে তোলা বাগান থেকে ফল নেমে বিভিন্ন মাদ্রাসায় বিতরণ করতেন| কিন্তু নিজ হাতে শিশুরা গাছ থেকে ফল নেমে খাবে এতে বেশি আনন্দিত হবে এমনটি ভেবেই শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে পুরো বাগানটায় উন্মোক্ত করে দেয়া হয়| এসময় মাদ্রাসার শতাধীক এতিম শিশুরা বাগানে প্রবেশ করে হাঁসি-খুশিতে ভরে ওঠে এবং যে যার মতো গাছ থেকে আম নামাতে গিয়ে আনন্দ উল্লাসে মেতে ওঠে|
ওয়াহিদুল ইকবাল বলেন,এখন থেকে এই ফল বাগান এতিম শিশুদের, তারা বছর ধরেই ইচ্ছে মতো যখন খুশি বাগান থেকে ফল নেমে খাবে| এতে কেউ বাধা দিবেনা| ফলবাগান উন্মোক্ত করার আগে শিশুদের মাঝে খাবারের জন্য বিভিন্ন রকমের ফল প্রদান করেন| এছাড়া শিশুদের মাঝে একটি করে স্কুল ব্যাগ বিতরণ করা হয়| পরে জুমার নামাজ শেষে মধ্যাহ্নভোজে সামিল হয় এতিম শিশুরা| পরে এতিম শিশুদের সাথে নিয়ে ফলবাগানের পাশে আরো প্রায় দুই বিঘা জমিতে বিভিন্ন রকমের ফলজবৃক্ষ রোপনের উদ্বোধন করেন প্রকৌশলী ওয়াহিদুল ইকবাল| শেষে ওয়াহিদুল ইকবালের পরিবারের সদস্যদের জন্য দোয়া করা হয়|
এসময় নওগাঁ বিএমসি কলেজের অবসরপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ওয়ালিউল ইসলাম, নওগাঁ কেডি উচ্চ বিদ্যালয়ের সিনিয়র শিক্ষক আল মামুন,সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক কাজী আব্দুস ছোবহান, কালীগ্রাম ইউপির ইউডিসি রেজাউল ইসলাম ও দালানবাড়ী ফলবাগানের তথ্যাবধায়ক হামিদুল ইসলামসহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন|
প্রকৌশলী ওয়াহিদুল ইকবাল জানান,দাদা হযরত আলী এবং বাবা আবু জাহেদসহ পরিবারের সবাই ছিলেন বৃক্ষপ্রেমি| এছাড়া তার স্ত্রী সন্তানরাও ছিলেন বৃক্ষপ্রেমি এবং শিশু বান্ধব| সেই লক্ষে তিনি নিজ বাড়ীর পাশে প্রায় দুই বিঘা জমিতে গড়ে তুলেছেন হানিডিউ, রেড পালমার, মিয়াজাকি বা সূর্য ডিম, ব্ল্যাকস্টোন, ব্যানানা ম্যাংগো, ব্রুনাই কিং, বাড়ি-৪,কাটিমনসহ প্রায় ১৪ জাতের আম বাগান|
তিনি বলেন,এতিম শিশুরা চাহিদা অনুযায়ী ফল খেতে পারেনা|তাই শিশুদের চাহিদা মেটাতে এই বাগানটি উন্মোক্ত করে দেয়ার চিন্তাভাবনা করেন| তিনি বলেন, গত কয়েক বছর ধরে গড়ে তোলা বাগান থেকে ফল নেমে বিভিন্ন মাদ্রাসায় বিতরণ করতেন| কিন্তু নিজ হাতে শিশুরা গাছ থেকে ফল নেমে খাবে এতে বেশি আনন্দিত হবে এমনটি ভেবেই শুক্রবার আনুষ্ঠানিকভাবে পুরো বাগানটায় উন্মোক্ত করে দেয়া হয়| এসময় মাদ্রাসার শতাধীক এতিম শিশুরা বাগানে প্রবেশ করে হাঁসি-খুশিতে ভরে ওঠে এবং যে যার মতো গাছ থেকে আম নামাতে গিয়ে আনন্দ উল্লাসে মেতে ওঠে|
ওয়াহিদুল ইকবাল বলেন,এখন থেকে এই ফল বাগান এতিম শিশুদের, তারা বছর ধরেই ইচ্ছে মতো যখন খুশি বাগান থেকে ফল নেমে খাবে| এতে কেউ বাধা দিবেনা| ফলবাগান উন্মোক্ত করার আগে শিশুদের মাঝে খাবারের জন্য বিভিন্ন রকমের ফল প্রদান করেন| এছাড়া শিশুদের মাঝে একটি করে স্কুল ব্যাগ বিতরণ করা হয়| পরে জুমার নামাজ শেষে মধ্যাহ্নভোজে সামিল হয় এতিম শিশুরা| পরে এতিম শিশুদের সাথে নিয়ে ফলবাগানের পাশে আরো প্রায় দুই বিঘা জমিতে বিভিন্ন রকমের ফলজবৃক্ষ রোপনের উদ্বোধন করেন প্রকৌশলী ওয়াহিদুল ইকবাল| শেষে ওয়াহিদুল ইকবালের পরিবারের সদস্যদের জন্য দোয়া করা হয়|
কাজি আনিসুর রহমান (রাণীনগর (নওগাঁ)